ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলা এবং ইরানের পাল্টা হামলার পরে মধ্যপ্রাচ্যে যে সংঘর্ষ চলছে, তাতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ একেকটি পক্ষের সমর্থনে দাঁড়িয়েছে। তবে পুরনো মিত্র দেশ ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিহত হওয়ার পরেও কোনো মন্তব্য না করে ভারতের অভ্যন্তরেই সমালোচনার মুখে পড়েছে নরেন্দ্র মোদীর সরকার।

চীন, রাশিয়া, মালয়েশিয়াসহ একাধিক দেশ ইরানের উপর হামলার সমালোচনা করে সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে। আবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পক্ষে আবার দাঁড়িয়েছে বেশ কয়েকটা দেশ।

ভারতের তরফেও ‘শান্তি ও স্থিতিশীলতা’ বজায় রাখার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি সংঘাতের আবহে থাকা সমস্ত দেশকে ‘সংযম’ দেখানোর কথা বলা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সোমবার বাহরাইনের বাদশাহ হামাদ বিন ঈসা আল খলিফা, সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান এবং জর্ডানের বাদশাহ আব্দুল্লাহর সঙ্গে কথা বলেছেন।

পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে অবশ্য রোববারেই আলোচনা করেছেন মি. মোদী। তবে খামেনির মৃত্যুর বিষয়ে কোনোরকম মন্তব্য ‘এড়িয়ে’ গিয়েছে ভারত। যা আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ইরানের সঙ্গে ভারতের পুরানো সম্পর্ক স্মরণ করিয়ে দিয়ে নরেন্দ্র মোদী ও তার সরকারকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি কংগ্রেস।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে প্রকাশিত একটি উত্তর সম্পাদকীয় প্রবন্ধে কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী মোদী সরকারের নীতির সমালোচনা করে সেগুলোকে সংবিধানের ‘অসঙ্গতিপূর্ণ’ বলে উল্লেখ করেছেন। বামপন্থী দলগুলি সহ অন্যান্য বিরোধীও একই ইস্যুতে নরেন্দ্র মোদীর সমালোচনা করছে।

পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী মোদীর ইসরায়েল সফরের সময় ও সফরকালে তার মন্তব্যকে ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে।

© 2026 Harkara24.com। এই ওয়েবসাইটের সকল কনটেন্ট সংরক্ষিত। বাইরের কোনো ওয়েবসাইটের তথ্য বা কনটেন্টের জন্য Harkara24 দায়বদ্ধ নয়।

FixiFite Web Solutions