সর্বশেষ

কিংবদন্তি শিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই

কিংবদন্তি শিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই

কিংবদন্তি শিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই ভারতীয় সংগীতজগতের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই। রোববার মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে একাধিক শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন এই শিল্পী। শেষ পর্যন্ত একাধিক অঙ্গ বিকল হয়ে যাওয়ার কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। তার মৃত্যুর খবরে উপমহাদেশজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। আশা ভোঁসলের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন, আশা ভোঁসলের কণ্ঠ ভারতীয় সংস্কৃতিকে বিশ্বমঞ্চে সমৃদ্ধ করেছে। তার সংগীতযাত্রা প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। গানের মধ্যে বেঁচে থাকবেন আশা ভোঁসলে: মির্জা ফখরুল অন্যদিকে, বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক শোকবার্তায় বলেন, উপমহাদেশের সংগীতে আশা ভোঁসলে ছিলেন এক অনন্য উচ্চতার শিল্পী। বহুভাষিক গান ও বৈচিত্র্যময় ধারায় তার অবদান তাকে অমর করে রাখবে। শোকে ভেঙে পড়লেন রুনা লায়লা মৃত্যুসংবাদে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা। আবেগঘন প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, “মনে হচ্ছে আমার পৃথিবীটাই শূন্য হয়ে গেল।” তিনি আরও বলেন, “লতা মঙ্গেশকর দিদি চলে যাওয়ার পর এবার আশা দিদিও চলে গেলেন—এমন শিল্পী আর জন্মাবে না।” ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ করে রুনা লায়লা জানান, আশা ভোঁসলে তাকে মায়ের মতো স্নেহ করতেন। শেষবার সরাসরি দেখা হয়েছিল একটি গানের রেকর্ডিংয়ে। পরে ফোনে যোগাযোগ থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে আর কথা বলা হয়নি—এ নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেন তিনি। রবিবার মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কে শেষকৃত্য পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সোমবার সকাল ১১টা থেকে তার বাসভবনে সর্বসাধারণের জন্য শেষ শ্রদ্ধা জানানোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। একই দিন বিকেল ৪টায় মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কে শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। সংগীতজীবনের অবদান ১৯৪৩ সালে সংগীতজীবন শুরু করা আশা ভোঁসলে সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে হাজার হাজার গান উপহার দিয়েছেন। হিন্দির পাশাপাশি বাংলা, মারাঠি, গুজরাটি সহ বিভিন্ন ভাষায় গান গেয়ে তিনি অর্জন করেন অনন্য জনপ্রিয়তা।‘পিয়া তু আব তো আজা’, ‘দম মারো দম’, ‘দিল চীজ কেয়া হ্যায়’সহ অসংখ্য কালজয়ী গান তার কণ্ঠে অমর হয়ে আছে। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার, পদ্মবিভূষণসহ একাধিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্মাননা লাভ করেন আশা ভোঁসলের মৃত্যুতে উপমহাদেশের সংগীতাঙ্গনে অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি হয়েছে। সংগীতপ্রেমীদের মতে, তার সুর ও কণ্ঠের জাদু তাকে চিরকাল বাঁচিয়ে রাখবে।

শিশুদের নাটক দেখলেন তারেক রহমান

শিশুদের নাটক দেখলেন তারেক রহমান

এবার রাজধানীর বেইলী রোডে শিশুদের নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।  শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বেইলি রোডের মহিলা সমিতি মিলনায়তনে আসেন প্রধানমন্ত্রী। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। পরিবারসহ সাংস্কৃতিক আয়োজনে অংশগ্রহণ এই সফরে পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতি দর্শকদের আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দেয়। মিলনায়তনে উপস্থিত শিশু ও অভিভাবকদের মধ্যে তৈরি হয় অন্যরকম অনুভূতি। প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে তারা উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন। তারেক রহমানের নাটক দেখা যেন মুহূর্তেই একটি উৎসবের আবহ তৈরি করে। দর্শকদের করতালি ও উচ্ছ্বাস প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর পরিবার মঞ্চে উঠলে দর্শকরা করতালির মাধ্যমে তাদের স্বাগত জানান। পুরো মিলনায়তনে আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়। শিশুদের জন্য আয়োজিত এই নাটকে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি ছিল একটি বড় প্রাপ্তি। তারেক রহমানের নাটক দেখা তাই কেবল একটি ব্যক্তিগত মুহূর্ত নয়, বরং হয়ে ওঠে সবার জন্য স্মরণীয় ঘটনা। শিশু শিল্পীদের উৎসাহ দিতেই উপস্থিতি প্রেস সচিব জানান, এই নাটক দেখা মূলত বিনোদনের জন্য নয়। শিশু শিল্পীদের উৎসাহ দিতেই প্রধানমন্ত্রী সেখানে গিয়েছেন। নাটক শেষে তিনি শিশু শিল্পীদের সঙ্গে ফটোসেশনেও অংশ নেন। এতে শিশুদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ও অনুপ্রেরণা তৈরি হয়। তারেক রহমানের নাটক দেখা এভাবে একটি ইতিবাচক বার্তা দেয়। আগের সিনেমা দেখা নিয়েও আলোচনা এর আগে ৩ এপ্রিল সাপ্তাহিক ছুটির দিনে তিনি ধানমন্ডির একটি সিনেমা হলে যান। সেখানে কন্যা জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে ইংরেজি সিনেমা ‘প্রোজেক্ট হেইল মেরি’ উপভোগ করেন। নিয়মিত সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার এই প্রবণতা অনেকের কাছে প্রশংসিত হয়েছে। ‘কবি চিতাবাঘ’ নাটকের প্রেক্ষাপট ‘কবি চিতাবাঘ’ নাটকটি শিকড় চিলড্রেন থিয়েটারের প্রযোজনা। নওশিন আফসানা বৃষ্টির গল্পে এটি নির্মিত হয়েছে। নাট্যরূপ দিয়েছেন তপু চন্দ্র দাস। শিশুদের জন্য তৈরি এই নাটকে রয়েছে কল্পনা, সৃজনশীলতা ও শিক্ষামূলক বার্তা।

© 2026 Harkara24.com। এই ওয়েবসাইটের সকল কনটেন্ট সংরক্ষিত। বাইরের কোনো ওয়েবসাইটের তথ্য বা কনটেন্টের জন্য Harkara24 দায়বদ্ধ নয়।

FixiFite Web Solutions