টানা বৃষ্টির পর দক্ষিণ এশিয়ায় কার্প জাতীয় মাছের নিষিক্ত ডিম সংগ্রহের অন্যতম প্রাকৃতিক উৎস হালদা নদীতে নমুনা ডিম ছেড়েছে মা মাছ। নদীর কয়েকটি জায়গায় রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালবাউশ মাছের মা মাছ অল্প পরিমাণে ডিম ছেড়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল বেলা ভাটার সময় এবং দুপুরে জোয়ারের সময় হাটহাজারীর গড়দোয়ারা ইউনিয়নের নয়াহাট, রাউজানের পশ্চিম গুজরার আজিমের ঘাট ও নাপিতের ঘাট এলাকায় এই ডিম দেখা যায়। কিছু সংগ্রহকারী ১০০ থেকে ২০০ গ্রাম ডিম পেয়েছেন। আবার কেউ কেউ এক থেকে দেড় কেজি পর্যন্ত ডিম সংগ্রহ করেছেন।
হাটহাজারী ও রাউজান এলাকায় সরকারি হ্যাচারি ও অনেক মাটির কুয়ায় ডিম থেকে রেণু (পোনা) ফোটানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ডিম সংগ্রহকারীরা জানান, তারা জোয়ারের সময় কয়েকবারে প্রায় এক থেকে দেড় কেজি ডিম পেয়েছেন। অনেকেই এখন অপেক্ষা করছেন, কারণ সামনে আরও বেশি ডিম পাওয়া যেতে পারে।

অভিজ্ঞ সংগ্রাহকেরা বলছেন, এখনো অল্প অল্প ডিম পাওয়া যাচ্ছে। সবাই অপেক্ষা করছেন, কখন মাছ পুরোপুরি ডিম ছাড়বে।
বিশেষজ্ঞদের মতে–মা মাছ পুরো ডিম ছাড়ার আগে কিছু ডিম আগে ছেড়ে দেয়, যাকে নমুনা ডিম বলা হয়। এটি দেখলে বোঝা যায়, খুব শিগগিরই বেশি পরিমাণে ডিম পাওয়া যাবে।
মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর এই নদী থেকে প্রায় ১৪ হাজার কেজি ডিম সংগ্রহ করা হয়েছিল। আর ২০২০ সালে সবচেয়ে বেশি, ২৫ হাজার কেজি ডিম পাওয়া গিয়েছিল।