বর্তমানে চলমান হাম পরিস্থিতি আগামী মে মাসের মধ্যেই পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি জানান, দেশের প্রতিটি শিশুকে দ্রুত হামের টিকার আওতায় আনতে জোরদার কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত ২৫০ শয্যার টিবি হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে শতভাগ শিশুকে টিকাদানের আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৬১ শতাংশ শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। অনেক এলাকায় শতভাগ কভারেজ অর্জিত হয়েছে। যে ৩০টি উপজেলায় প্রথমে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছিল, সেখানে এখন আর কোনো রোগী নেই।
তিনি আরও জানান, টিকা হাতে পাওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের জন্য অপেক্ষা না করে দ্রুত কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। যদিও ৫ মে সারা দেশে টিকাদান শুরু হওয়ার কথা ছিল, তা এগিয়ে এনে ২০ এপ্রিল থেকেই কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।
সাখাওয়াত হোসেন বলেন, গত ছয় বছর ধরে শিশুদের হাম প্রতিরোধে কোনো টিকা দেওয়া হয়নি। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় জরুরি ভিত্তিতে এই কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ইউনিসেফ, গ্যাভি, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক এবং যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা না থাকলে দেশের পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারত।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাঁবুর ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। শুক্রবার (১ মে) থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠে তাঁবু স্থাপন শুরু হবে। তিনি বলেন, ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ুক তা কেউ চায় না; চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হলেও প্রতিরোধই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে সিটি করপোরেশনকে মশা নিধনের কার্যক্রম জোরদার করতে বলা হয়েছে।