বিগত সরকারের সময় রাজনৈতিকভাবে দেওয়া প্রায় ১০ হাজার লাইসেন্স করা আগ্নেয়াস্ত্র এখনও জমা হয়নি। এসব অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার ও জব্দ করার জন্য জেলা প্রশাসকদের কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
প্রয়োজন হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে এবং মামলা করতেও বলা হয়েছে। তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর অস্ত্র জমা দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট সময় দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু অনেকেই তা মানেনি। তাই এখন মাঠ প্রশাসনকে আরও সক্রিয় হতে হবে।
তিনি আরও জানান, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত যেসব অস্ত্রের লাইসেন্স রাজনৈতিক কারণে বা নিয়ম না মেনে দেওয়া হয়েছে, সেগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। জেলা পর্যায়ের কমিটির মাধ্যমে এসব লাইসেন্স পরীক্ষা করা হবে। যেগুলোতে অনিয়ম পাওয়া যাবে, সেগুলো বাতিল করে অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হবে। তবে ২০০৯ সালের আগে দেওয়া বৈধ লাইসেন্সধারীরা নিয়ম মেনে তাদের অস্ত্র ফেরত পাবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখা এবং মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্যগুলোর একটি। অবৈধ অস্ত্র সমাজে অস্থিরতা তৈরি করে, তাই এগুলো নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।
এছাড়া তিনি মাদক, চাঁদাবাজি এবং অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের নির্দেশ দিয়েছেন। এসব অপরাধ দমনে “জিরো টলারেন্স” নীতি অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। বিশেষ করে অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে অর্থ পাচার ও সামাজিক ক্ষতি রোধে নতুন আইন তৈরির কাজ চলছে।
তিনি পুলিশ ও প্রশাসনকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান এবং বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো ধরনের শিথিলতা গ্রহণযোগ্য হবে না। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে।