
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে বাংলাদেশের নতুন সরকার, ফেব্রুয়ারি মাসে তোলা ছবি
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি নিয়ে চিন্তা বাড়ছে। যার প্রভাব পড়তে পারে কৃষি ও শিল্প-কলকারখানাসহ দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে। আর দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানও ঠিক সুবিধাজনক অবস্থায় নেই। পুরোপুরি স্থির নয় রাজনীতির ময়দানও।
সব মিলিয়ে ঈদের পর নানামুখী চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে মাত্র এক মাস আগেই গঠিত বাংলাদেশের নতুন সরকারের সামনে।
অর্থনীতিবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, জ্বালানি সংকট মোকাবিলা, অর্থনীতির চাকা সচল রাখা এবং রাজনৈতিক স্থিতিশিলতা – মোটাদাগে এই তিনটিই সরকারের মূল চ্যালেঞ্জ।
তারা বলছেন, দীর্ঘ দিনের একটি বিশেষ পরিস্থিতির পর দেশের সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা মেটানোই নতুন সরকারের জন্য বড় পরীক্ষা। যার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি।
এছাড়া নির্বাচনের আগে সরকারি দল তাদের ইশতেহারে প্রত্যাশা পূরণে যেসব বার্তা দিয়েছে সেগুলো তারা কতটা ধারণ করতে পারে – সেদিকেও নজর থাকবে সাধারণ মানুষের।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনসহ নানা ইস্যু রাজনৈতিকভাবেও নতুন সরকারকে চ্যালেঞ্জের মধ্যে ফেলতে পারে বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
আর ঈদের পর দেশের অর্থনীতি এবং রাজনীতিতে যে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে সেটি মানছেন সরকারের মন্ত্রীরাও।
তারা বলছেন, দায়িত্ব নেওয়ার পরই দেশের মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে নতুন সরকার, ঈদের পর যার গতি আরও বাড়বে।