কালীগঞ্জে বিএনপি নেতার উদ্যোগে ঈদুল আজহায় ২০০ অসহায় পরিবারে সহায়তা

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কালীগঞ্জ পৌরসভা গ্রুপের উদ্যোগে অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ঈদের দিন এই মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন সাবেক ছাত্রনেতা ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদ্য সাবেক সদস্য, কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদ্য সাবেক সদস্য মোহাম্মদ জাহিদ হাসান। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মোট ২০০টি অসহায় পরিবারের মাঝে সেমাই, চিনি, দুধ, তেল, পেঁয়াজ, রসুন, পোলাও চাল, আলু, শুকনা মরিচ, শ্যাম্পু এবং একটি করে মুরগি বিতরণ করা হয়। ঈদের আনন্দ সমাজের সকল মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। উদ্যোক্তারা বলেন, ঈদুল আজহার ত্যাগ, সহমর্মিতা ও মানবিকতার শিক্ষা থেকেই সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই প্রচেষ্টা নেওয়া হয়েছে। সমাজের প্রতিটি মানুষ ঈদের আনন্দে শামিল হলেই উৎসবের পরিপূর্ণতা আসে।এ বিষয়ে মোহাম্মদ জাহিদ হাসান বলেন, “মানুষের কল্যাণ ও ঈদের আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়াই আমাদের মূল উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতেও কালীগঞ্জ পৌরসভা এলাকার অসহায় মানুষের পাশে থেকে মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে।”স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদের দিনে এই সহায়তা পেয়ে উপকৃত পরিবারগুলোর মাঝে স্বস্তি ও আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করলেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী

হরকরা ডেস্ক:পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এই জামাতে অংশ নেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী । ঈদের জামাতে আরও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, বিচারপতি, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা। মুসল্লিদের নির্বিঘ্নে প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য জাতীয় ঈদগাহে বিশেষ ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করা হয়। প্রবেশের জন্য মোট চারটি ফটক রাখা হয়। এর মধ্যে একটি ভিআইপিদের জন্য, দুটি সাধারণ পুরুষ মুসল্লিদের জন্য এবং একটি নারী মুসল্লিদের জন্য নির্ধারণ করা হয়। অন্যদিকে, মুসল্লিদের বের হওয়ার জন্য সাতটি ফটকের ব্যবস্থা রাখা হয়। এর মধ্যে একটি ভিআইপিদের জন্য, পাঁচটি সাধারণ পুরুষ মুসল্লিদের জন্য এবং একটি নারী মুসল্লিদের জন্য নির্ধারিত ছিল। ঈদ জামাতে সর্বমোট ১২১টি কাতারের ব্যবস্থা করা হয়। এর মধ্যে ভিআইপি পুরুষদের জন্য ৫টি, নারীদের জন্য ১টি, সাধারণ পুরুষ মুসল্লিদের জন্য ৬৫টি বড় কাতার এবং নারী মুসল্লিদের জন্য ৫০টি ছোট কাতার রাখা হয়। এছাড়া অজুখানায় একসঙ্গে প্রায় ১৪০ জন মুসল্লির অজু করার ব্যবস্থা ছিল। এর মধ্যে পুরুষদের জন্য ১১৩ জন এবং নারীদের জন্য ২৭ জনের পৃথক সুবিধা নিশ্চিত করা হয়।