সর্বশেষ

লিটারে ৪ টাকা বাড়ল বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম

লিটারে ৪ টাকা বাড়ল বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম

দেশের বাজারে বোতলজাত ও খোলা সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৪ টাকা করে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নতুন নির্ধারণ অনুযায়ী বোতলজাত সয়াবিন তেল এখন প্রতি লিটার ১৯৫ টাকার পরিবর্তে ১৯৯ টাকায় বিক্রি হবে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ভোজ্যতেলের বাজার পরিস্থিতি ও সরবরাহ নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এ তথ্য জানান। তিনি আরও জানান, খোলা সয়াবিন তেলের দামও একইভাবে লিটারে ৪ টাকা বাড়ানো হয়েছে। ফলে খোলা তেলের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি লিটার ১৭৯ টাকা, যা আগে ছিল ১৭৫ টাকা। দাম বৃদ্ধির কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক বাজারে পণ্যের উৎপাদন খরচ ও কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব দেশের বাজারেও পড়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভোক্তারা বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এই মূল্য সমন্বয়কে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করবেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, এই পরিবর্তনের ফলে ভোজ্যতেলের বাজার সরবরাহ আরও স্থিতিশীল হবে।

সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী

সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে ৪৯ জন প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন খান। বুধবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান। বিকেলে নির্বাচন ভবনে তিনি জানান, আগামী বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) এই ৪৯ জন প্রার্থীর বিষয়ে আনুষ্ঠানিক গেজেট প্রকাশ করা হবে। তিনি আরও বলেন, বুধবার ছিল মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। নির্ধারিত সময় (সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা) পর্যন্ত কোনো প্রার্থীই তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি। ফলে তারা কার্যত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পথে রয়েছেন। মঈন উদ্দীন খান জানান, চূড়ান্ত তালিকায় থাকা ৪৯ জনের মধ্যে বিএনপি জোটের মনোনীত ৩৬ জন প্রার্থী রয়েছেন। এছাড়া জামায়াত-এনসিপি ও ১১ দলীয় জোট থেকে ১২ জন এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী বৈধ হিসেবে গেজেটভুক্ত হচ্ছেন। একটি আসনের প্রার্থীর বিষয়ে আইনি জটিলতা থাকায় সেটির ফলাফল আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। ওই আসনটি নিয়ে উচ্চ আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ৫০টি আসনের মধ্যে বাকি ৪৯ জনের নাম গেজেট আকারে প্রকাশ করে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়। এরপর গেজেট সংসদ সচিবালয়ে পাঠানো হবে শপথ গ্রহণের ব্যবস্থা করার জন্য। উল্লেখ্য, সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যরা সাধারণত সংসদে থাকা রাজনৈতিক দলগুলোর আসনসংখ্যার অনুপাতে মনোনীত হয়ে নির্বাচিত হন।

বৃষ্টিতে ম্যাচ পরিত্যক্ত, টিকিটের মূল্য ফেরত পাচ্ছেন দর্শকরা

বৃষ্টিতে ম্যাচ পণ্ড, টিকিটের মূল্য ফেরত পাচ্ছেন দর্শকরা

চট্টগ্রামে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে।  নির্ধারিত সময়েও মাঠে গড়ায়নি একটি বলও। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) জানিয়েছে, অনলাইনে যাঁরা টিকিট কেটেছেন, তাঁরা টাকা ফেরত পাবেন। সাগরিকায় দুপুর ২টায় খেলা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও আবহাওয়ার বৈরিতার কারণে তা সম্ভব হয়নি। টস হওয়ার নির্ধারিত সময় ছিল দেড়টা, কিন্তু সেটিও করা যায়নি। দুই দল মাঠে উপস্থিত থাকলেও টানা ভারী বৃষ্টিতে মাঠে আর খেলা হয়নি। দুপুর ১২টার কিছু আগে শুরু হওয়া বৃষ্টি থেমে থেমে পুরো বিকেলজুড়ে চলতে থাকে।  অন্তত ৫ ওভারের ম্যাচ আয়োজনের জন্য শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল বিকেল ৪টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত।  কিন্তু সেই সময়ের মধ্যেও খেলা শুরু করা সম্ভব না হওয়ায় ম্যাচটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়।  একই সঙ্গে বিসিবি জানিয়েছে, অনলাইনে যারা টিকিট কিনেছেন, তারা টাকা ফেরত পাবেন। উল্লেখ্য, আগের দিনও চট্টগ্রামে সারাদিন বৃষ্টি হয়েছে।  সকালে আবহাওয়া কিছুটা স্বাভাবিক থাকলেও দুপুরের পর আবারও ভারী বর্ষণ শুরু হয়। নিউজিল্যান্ড দল বাংলাদেশ সফরে এসেছে ৩টি ওয়ানডে ও ৩টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে। ওয়ানডে সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচেও জয় পেয়েছে টাইগাররা, ফলে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে স্বাগতিকরা। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ আগামী ২ মে ঢাকার শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।

অর্থনীতি সংস্কারে প্রয়োজন বড় বাজেট: অর্থমন্ত্রী

অর্থনীতি সংস্কারে প্রয়োজন বড় বাজেট: অর্থমন্ত্রী

আগামী অর্থবছরের জন্য বড় বাজেট দেওয়ার পক্ষে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিভিন্ন যুক্তি তুলে ধরেছেন।  তিনি বলেন, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি কিছুটা দুর্বল অবস্থায় আছে।  দারিদ্র্য কমানো, বিনিয়োগ বাড়ানো এবং অর্থনীতিকে গতিশীল করতে হলে বাজেটের আকার বাড়ানো জরুরি। কারণ, অর্থনীতিকে বর্তমান অবস্থান থেকে উন্নতির দিকে নিতে হলে সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি জরুরি। বিনিয়োগ ও প্রবৃদ্ধির ওপর জোরতিনি আরও বলেন, মানসম্মত বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে বড় বাজেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বাজেট ছোট হলে বিনিয়োগকারীরা আগ্রহ হারাতে পারেন। একই সঙ্গে উন্নয়ন ব্যয় না বাড়ালে জিডিপি প্রবৃদ্ধিও প্রত্যাশিত হবে না। তবে তিনি সতর্ক করেন যে, বিনিয়োগের পাশাপাশি তার সঠিক ফল (রিটার্ন) নিশ্চিত করাও জরুরি। মেগা প্রকল্পের নামে অর্থ পাচার হলে তা বড় সমস্যা তৈরি করবে। ব্যবসায়ীদের জন্য বার্তাব্যবসায়ীদের উদ্দেশে তিনি জানান, আগামী বাজেটে হয়তো নতুন করে বড় ধরনের সুবিধা দেওয়া সম্ভব নাও হতে পারে।  তবে ব্যবসা পরিচালনায় যেসব প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, সেগুলো দূর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।  বেসরকারি খাতের প্রবৃদ্ধিকেই অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন। বন্দর ও ব্যবসায়িক বাধা দূরীকরণএ ছাড়া চট্টগ্রাম বন্দরের সেবা মাশুল বৃদ্ধিকে অপ্রয়োজনীয় বলে মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বন্দর ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতি ও জটিলতা কমানোর আশ্বাস দেন। ব্যবসায়ীরা কোথায় সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন, তা জানালে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। বৈশ্বিক পরিস্থিতি ও অর্থনৈতিক চাপঅর্থমন্ত্রী আরও বলেন, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বৈশ্বিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ তৈরি হয়েছে।  অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর কাছ থেকে সময় চাওয়া হয়েছে, যাতে কিছুটা সময় নিয়ে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে পারে। রপ্তানি খাতের বৈচিত্র্য আনার পরিকল্পনাতিনি উল্লেখ করেন, তৈরি পোশাক খাত ভালো করলেও অন্যান্য সম্ভাবনাময় রপ্তানি খাত পিছিয়ে আছে। এসব খাতকে এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে এবং নতুন খাতগুলোকে উৎসাহিত করা হবে। কর ব্যবস্থার ডিজিটাল রূপান্তরসবশেষে, কর ব্যবস্থাকে আধুনিক করতে ডিজিটাল পদ্ধতি চালুর পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। এতে করদাতা ও কর্মকর্তাদের সরাসরি যোগাযোগ কমবে এবং দুর্নীতি হ্রাস পাবে। পাশাপাশি কর-জিডিপি অনুপাত বাড়াতে করজালের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করার ওপরও জোর দেন।সূত্র অনুযায়ী, আগামী বাজেটের আকার ৯ লাখ কোটি টাকার বেশি হতে পারে।  

মৌলভীবাজার ও নেত্রকোণায় নিম্নাঞ্চলে বন্যা

মৌলভীবাজার ও নেত্রকোণায় নিম্নাঞ্চলে বন্যা

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে।  যার ফলে নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।  পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, বর্তমানে দেশের চারটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর প্রভাবে মৌলভীবাজার ও নেত্রকোণা জেলার নিম্নাঞ্চলে ইতোমধ্যে বন্যা দেখা দিয়েছে। সিলেট, হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া এই বৃষ্টিপাত বুধবারও অব্যাহত রয়েছে।  রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সকাল থেকেই বৃষ্টি হচ্ছে। ভোর ৬টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত ঢাকায় ১৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টিপাত হয়েছে।  যার মধ্যে কিশোরগঞ্জের নিকলিতে সর্বোচ্চ ১৬০ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়।  এছাড়া ভোলা, ফেনী, ময়মনসিংহ, পটুয়াখালী, কুমিল্লা ও নেত্রকোণাসহ বিভিন্ন জেলায় উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত হয়েছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, দেশের অভ্যন্তরে বজ্রমেঘের সৃষ্টি হওয়ায় এই বৃষ্টিপাত হচ্ছে।  এটি আগামী শুক্রবার পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। এমনকি সোমবার পর্যন্তও বৃষ্টির প্রবণতা থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হলে তাকে ভারি এবং এর বেশি হলে অতিভারি বৃষ্টিপাত হিসেবে ধরা হয়। নদীগুলোর মধ্যে নেত্রকোণার ভুগাই কংশ, সোমেশ্বরী ও মগরা নদী এবং মৌলভীবাজারের মনু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে এসব অঞ্চলের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।  পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে বৃষ্টিপাত কমলে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এদিকে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে বায়ুচাপের তারতম্যের কারণে দেশের চারটি সমুদ্রবন্দর—চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রায়—তিন নম্বর সতর্কতা সংকেত বহাল রাখা হয়েছে। মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সতর্কভাবে চলাচলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের বেশিরভাগ এলাকায় দমকা হাওয়া, বজ্রপাতসহ বৃষ্টি হতে পারে। এতে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে, তবে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ৩ মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ৩ মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

ভারি বৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আগামী তিন মাস সরকার সহায়তা দেবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।  বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমেদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন বলেন, ‘টানা ভারি বৃষ্টিতে সুনামগঞ্জসহ হাওরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। কৃষকরা মাঠে নেমে কষ্ট করে ধান কাটছেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান। হাওর অঞ্চলের কৃষকদের দুর্দশা ও ক্ষতিকে খুবই বেদনাদায়ক উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি আরও বলেন, ‘তিন দিন আগে আবহাওয়া প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তিনি ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ জেলার স্থানীয় প্রশাসনকে আগাম নির্দেশনা দিয়েছিলেন। সম্ভাব্য ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস বিবেচনায় রেখে কী ধরনের পূর্বপ্রস্তুতি নেয়া যায়, সে বিষয়ে তাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছিল।’ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর কৃষকদের চিহ্নিত করে, যাদের ফসল নষ্ট হয়েছে, তাদের আগামী তিন মাস সরকারের পক্ষ থেকে সহায়তা দেয়ার চেষ্টা করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

© 2026 Harkara24.com। এই ওয়েবসাইটের সকল কনটেন্ট সংরক্ষিত। বাইরের কোনো ওয়েবসাইটের তথ্য বা কনটেন্টের জন্য Harkara24 দায়বদ্ধ নয়।

FixiFite Web Solutions