সিরিজ বাঁচানোর লড়াইয়ে ঘুরে দাঁড়াতে চায় টাইগাররা 

সিরিজ বাঁচানোর লড়াইয়ে ঘুরে দাঁড়াতে চায় টাইগাররা

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ বাঁচানোর লড়াইয়ে কাল মাঠে নামছে টাইগাররা।  ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে হেরেছে বাংলাদেশ। তিন ম্যাচের সিরিজে প্রথম ম্যাচ হারায় এখন দ্বিতীয় ম্যাচটা খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটাই কার্যত সিরিজ বাঁচানোর লড়াই। প্রথম ম্যাচের আগে হুট করে একাদশে সুযোগ পান পেসার শরিফুল ইসলাম। মুস্তাফিজুর রহমানের হাঁটুতে অস্বস্তি থাকায় তাকে দলে নেওয়া হয়। দীর্ঘ ১৬ মাস পর ওয়ানডেতে ফিরে শরিফুল ভালোই করেন। ১০ ওভারে মাত্র ২৭ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে তিনি খেলবেন কি না সেটা এখনো নিশ্চিত না, কারণ মুস্তাফিজ ফিট হয়ে ফিরলে তারই খেলার সম্ভাবনা বেশি। একাদশে থাকা নিয়ে চিন্তা না করে শরিফুল বলেন, স্কোয়াডের সবাইই প্রস্তুত থাকে, শেষ সিদ্ধান্ত কোচের। যাকে দলে রাখা হবে, সবাই মিলে সেই দলের হয়ে খেলবে। সিরিজে ঘুরে দাঁড়ানোর ব্যাপারেও আশাবাদী তিনি। তার মতে, এখনো দুইটা ম্যাচ বাকি আছে, তাই ভুল শুধরে ফিরে আসার সুযোগ আছে। প্রথম ম্যাচে তারা এক ভুল করেছে, তবে দল ভালো খেললে পরের ম্যাচে জয় সম্ভব। প্রথম ওয়ানডেতে বোলাররা ভালো করেছিল, নিউজিল্যান্ডকে ২৪৭ রানে আটকে রেখেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ২২১ রানে অলআউট হয়ে যায় তারা। তবে ব্যাটারদের একা দায় না দিয়ে দলগত উন্নতির কথাই বলেন শরিফুল। তার মতে, এক বিভাগ ভালো করলে অন্য বিভাগ কখনও কখনও পিছিয়ে যায়, কিন্তু দল হিসেবে সবাই একসাথে ভালো খেললেই জয় আসবে।

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে দাম বেড়ে ১৯৪০ টাকা

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে দাম বেড়ে ২১২ টাকা

এক মাসের ব্যবধানে আবারও বাড়ানো হয়েছে ভোক্তাপর্যায়ের এলপিজির দাম। বেসরকারি খাতে প্রতি কেজিতে ১৭ টাকা ৬২ পয়সা বাড়ানো হয়েছে, ফলে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১,৭২৮ টাকা থেকে বেড়ে ১,৯৪০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। এতে এক সিলিন্ডারে ২১২ টাকা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। রোববার নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি), যা একই দিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হয়েছে। এর আগে এপ্রিলের শুরুতেই ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮৭ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। বিইআরসি জানিয়েছে, বর্তমানে প্রতি কেজি এলপিজির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬১ টাকা ৬৬ পয়সা। এই হার অনুযায়ী বাজারে বিভিন্ন আকারের সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত হবে। তবে নির্ধারিত দামে সব জায়গায় এলপিজি বিক্রি হচ্ছে না—এমন অভিযোগও রয়েছে, বিশেষ করে ১২ কেজি সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে। অন্যদিকে, সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা সাড়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৮২৫ টাকায় অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজি বা অটোগ্যাসের দাম বাড়িয়ে প্রতি লিটার ৮৯ টাকা ৫০ পয়সা করা হয়েছে, যা আগে ছিল ৭৯ টাকা ৭৭ পয়সা। ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। প্রতি মাসে এলপিজির এই দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো। এটি সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত। এই সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি। আমদানিকারক কোম্পানির চালান (ইনভয়েস) মূল্য থেকে গড় করে পুরো মাসের জন্য ডলারের দাম হিসাব করে বিইআরসি।

জ্বালানি সংকট নিয়ে রুমিন ফারহানার ক্ষোভ

জ্বালানি সংকট নিয়ে রুমিন ফারহানার ক্ষোভ

জাতীয় সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং চলমান সংকটময় পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের অবস্থানের কঠোর সমালোচনা করে তিনি অভিযোগ করেন, সরকার জনগণের সঙ্গে মিথ্যাচার করছে। রোববার (১৯ এপ্রিল) সংসদের অধিবেশনে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল-এর সভাপতিত্বে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এ বক্তব্য দেন। রুমিন ফারহানা বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে জ্বালানির কোনো ঘাটতি নেই, অথচ বাস্তব চিত্র ভিন্ন। বিভিন্ন স্থানে তেলের জন্য দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে, অনেক চালক রাতভর অপেক্ষা করেও জ্বালানি পাচ্ছেন না। তার প্রশ্ন, যদি সংকট না-ই থাকে, তবে এমন পরিস্থিতি কেন এবং কেন তেলের দাম বাড়াতে হচ্ছে? জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, বাজার সন্ধ্যা ৭টায় বন্ধ করার সিদ্ধান্ত অদূরদর্শী, কারণ সাধারণ মানুষ বেশি কেনাকাটা করেন সন্ধ্যার পর। অফিস-আদালতের সময়সূচি পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন। সরকারের মন্ত্রীরা গণমাধ্যমে সংকট নেই বলে যে দাবি করছেন, তার সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। সংসদের মাধ্যমে তিনি জানতে চান, দেশে বর্তমানে অকটেন ও ডিজেলের মজুত কতদিনের,  পাম্পগুলোতে পর্যাপ্ত সরবরাহ কেন নেই, এবং মজুতদারির সঙ্গে কারা জড়িত ? এসব বিষয় স্পষ্ট করা উচিত বলে তিনি দাবি করেন।

তাপদাহে পুড়ছে দেশ, বাড়ছে গরমের তীব্রতা

তাপদাহে পুড়ছে দেশ, বাড়ছে গরমের তীব্রতা

রাজধানীতে টানা গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন। আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকেও মিলছে না কোন স্বস্তির খবর।  আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও বৃষ্টির সম্ভাবনা কম।  ফলে আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। রবিবার (১৯ এপ্রিল) সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দুপুর পর্যন্ত আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। এ সময় দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। সকাল ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ২৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৮১ শতাংশ। আগের দিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আজ সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ২২ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ভোর ৫টা ৩৩ মিনিটে। গত ২৪ ঘণ্টায় সামান্য বৃষ্টিপাত হলেও তা তাপমাত্রায় তেমন প্রভাব ফেলেনি। দেশের সার্বিক আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, সন্ধ্যার মধ্যে রংপুর বিভাগ, ময়মনসিংহ বিভাগ ও সিলেট বিভাগের কিছু এলাকায় এবং রাজশাহী বিভাগ, ঢাকা বিভাগ, খুলনা বিভাগ ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। তাপমাত্রা রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে ১ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমতে পারে, অন্যত্র প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে। অন্যদিকে, অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে

বাধ্য হয়েই জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার: জ্বালানিমন্ত্রী

বাধ্য হয়েই জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার: জ্বালানিমন্ত্রী

আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করতে সরকার বাধ্য হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। রবিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, বৈশ্বিক বাজারে তেলের দাম বাড়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে অনেক দেশই মূল্য সমন্বয় করেছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রেও তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির পর বাংলাদেশ যে দামে জ্বালানি আমদানি করে মজুত তৈরি করেছে, বর্তমান মূল্য নির্ধারণ সেই দামের তুলনায়ও কম রাখা হয়েছে। মন্ত্রী আরও জানান, বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করে জ্বালানি আমদানি করতে হয়, তাই অর্থনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি দাবি করেন, ভোক্তাদের সহনীয় পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করেই দাম সমন্বয় করা হয়েছে। ভর্তুকি প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এখনও ভর্তুকি চালু রয়েছে। সঠিক হিসাব জানতে হলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করার পরামর্শ দেন তিনি। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে, যেখানে গত দেড় মাস ধরে জ্বালানি সংকট দেখা যাচ্ছে। এতদিন জেট ফুয়েল ছাড়া অন্য জ্বালানির দাম অপরিবর্তিত থাকলেও শেষ পর্যন্ত সব ধরনের জ্বালানির দাম বাড়াতে হয়েছে সরকারকে। বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ নতুন মূল্য নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে, যা রবিবার থেকে কার্যকর হয়েছে। নতুন নির্ধারিত দামে প্রতি লিটার ডিজেল ১০০ টাকা থেকে বেড়ে ১১৫ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা থেকে ১৪০ টাকা, পেট্রল ১১৬ টাকা থেকে ১৩৫ টাকা এবং কেরোসিন ১১২ টাকা থেকে ১৩০ টাকা করা হয়েছে। ফলে ডিজেলে ১৫ টাকা, অকটেনে ২০ টাকা, পেট্রলে ১৯ টাকা এবং কেরোসিনে ১৮ টাকা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

© 2026 Harkara24.com। এই ওয়েবসাইটের সকল কনটেন্ট সংরক্ষিত। বাইরের কোনো ওয়েবসাইটের তথ্য বা কনটেন্টের জন্য Harkara24 দায়বদ্ধ নয়।

FixiFite Web Solutions