এক মাসের ব্যবধানে আবারও বাড়ানো হয়েছে ভোক্তাপর্যায়ের এলপিজির দাম। বেসরকারি খাতে প্রতি কেজিতে ১৭ টাকা ৬২ পয়সা বাড়ানো হয়েছে, ফলে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১,৭২৮ টাকা থেকে বেড়ে ১,৯৪০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। এতে এক সিলিন্ডারে ২১২ টাকা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে।
রোববার নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি), যা একই দিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হয়েছে। এর আগে এপ্রিলের শুরুতেই ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮৭ টাকা বাড়ানো হয়েছিল।
বিইআরসি জানিয়েছে, বর্তমানে প্রতি কেজি এলপিজির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬১ টাকা ৬৬ পয়সা। এই হার অনুযায়ী বাজারে বিভিন্ন আকারের সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত হবে। তবে নির্ধারিত দামে সব জায়গায় এলপিজি বিক্রি হচ্ছে না—এমন অভিযোগও রয়েছে, বিশেষ করে ১২ কেজি সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে।

অন্যদিকে, সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা সাড়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৮২৫ টাকায় অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজি বা অটোগ্যাসের দাম বাড়িয়ে প্রতি লিটার ৮৯ টাকা ৫০ পয়সা করা হয়েছে, যা আগে ছিল ৭৯ টাকা ৭৭ পয়সা।
২০২১ সালের এপ্রিল থেকে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। প্রতি মাসে এলপিজির এই দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো। এটি সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত।
এই সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি। আমদানিকারক কোম্পানির চালান (ইনভয়েস) মূল্য থেকে গড় করে পুরো মাসের জন্য ডলারের দাম হিসাব করে বিইআরসি।